ইসলামী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাদের বিবৃতিধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ায় প্রথম আলোর প্রকাশনা বাতিলের দাবি নিজস্ব প্রতিবেদক

মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা কেনাবেচা এবং পত্রিকাটিতে বিজ্ঞাপন দেওয়া থেকে বিরত থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন ইসলামী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারাসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে তাঁরা পত্রিকাটির প্রকাশনা বাতিল করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
গতকাল শনিবার এক যুক্ত বিবৃতিতে বলা হয়, জেনা ও ব্যভিচারকে জাতীয়করণের চক্রান্তে লিপ্ত প্রথম আলো ইসলাম ও মুসলমানদের দুশমন ইহুদিবাদের এদেশীয় এজেন্ট। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রথম আলো কর্তৃপক্ষকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার পরও এ ব্যাপারে তারা কোনো বক্তব্য প্রকাশ করেনি। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, তারা মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার জন্যই ২৪ ফেব্রুয়ারি 'ফতোয়াবাজি অব্যাহত, পুলিশকে সংবেদনশীল হতে হবে' শিরোনামে বিতর্কিত সম্পাদকীয় প্রকাশ করে। এই পত্রিকা ইসলাম, সমাজ ও বিবেকের বিরুদ্ধে ঘৃণ্য অবস্থান নিয়েছে। বিবৃতিতে নেতারা প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানকে গ্রেপ্তার এবং উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার দাবি জানান।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড) মহাসচিব মাওলানা আবদুল জাব্বার জাহানাবাদী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা আবদুল মোমিন শায়খে ইমামবাড়ী, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, হাফেজ মাওলানা সৈয়দ জুনাইদ আহমদ, যুব জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি মাওলানা সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মখতার আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক মুফতি সাবি্বর আহমদ, গোয়াইনঘাট উপজেলার মাওলানা আবদুল খালিক শায়খে চাকতা, মাওলানা নুরুল ইসলাম ফাগুর বাড়ি, নুরুল ইসলাম, মাওলানা ফরিদ উদ্দীন কয়েস, মাওলানা তৈয়্যিবুর রহমান চৌধুরী, হাফেজ সৈয়দ এহসান আহমদ, সালেহ আহমদ শাহবাগী, মাওলানা আফজল হোসেন খান, মাওলানা নজরুল ইসলাম চৌধুরী, মাওলানা আবদুল আল মামুন খান, সিলেট ছাত্র জমিয়ত নেতা মাওলানা সাইফুর রহমান, মাওলানা হিফজুর রহমান, মাওলানা লুৎফুর রহমান, মাওলানা কবির আহমদ, আবদুল হামিদ খান, হাফেজ গিয়াস কামাল, হাফেজ আবদুল করিম দিলদার, মাওলানা জুনায়েদ আহমদ, ঢাকা মহানগর ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমির মোস্তফা বশিরুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এম সাখাওয়াত হুসাইন, জাতীয় তাফসির পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, অপসংস্কৃতি প্রতিরোধ আন্দোলনের চেয়ারম্যান মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃ পরিষদের সভাপতি প্রিন্সিপাল মো. আলমগীর ও মাওলানা আইনুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের মুহাম্মদ সাইদুর রহমান ও সেক্রেটারি মাহবুবুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ-লিবিয়া ভ্রাতৃসমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম ফোরাম সভাপতি আশিক রহমান মিরাজ ও সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন, কওমি মাদ্রাসা ছাত্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ ফয়েজী ও সেক্রেটারি জেনারেল হাফেজ ইসমাঈল মাদানী, নদী ও পানিসম্পদ রক্ষা কমিটির সভাপতি দেদার বখত জালালাবাদী, মজলিসুল উলামার সভাপতি মাওলানা মো. আবদুল কাইয়ুম, ইসলামী দাওয়াত সংস্থার মহাসচিব আবুল কালাম, আমরা ঢাকাবাসীর সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ জামাল নাসের চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয় লীগের মহাসচিব তুরাব আলী ভূঁইয়া, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় শরয়ি পর্দা রক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এহতেশাম সারওয়ার ও মহাসচিব মাওলানা তাজুল ইসলাম ফয়েজ কারি, বাংলাদেশ জনপরিষদ সভাপতি এম এ গফুর মাস্টার ও মহাসচিব বেলাল সরকার, ভণ্ড ও প্রতারক প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আতিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ও মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক, বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের কবি মুহাম্মদ ইউসুফ, কেএসপির মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. হারুন অর রশিদ, বাংলাদেশ মুসলিম পার্টির মহাসচিব মাওলানা আবুল বারাকাত, মুফতি আবুল হাসান শামসাবাদী, মুফতি আবদুল বাতেন, বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা ছাত্র পরিষদের সভাপতি আবদুল আজিজ প্রমুখ।
Post a Comment